অক্ষয় মালবেরি Summary à 4


review অক্ষয় মালবেরি

অক্ষয় মালবেরি

??র দেশে পেকে আসা ধানের উপর যখন অক্ষয় মালবেরি Archives সাম্প্রতিক Welcome Log into your account your username your password মণীন্দ্র গুপ্তর আত্মজীবনী অক্ষয় মণীন্দ্র গুপ্তর আত্মজীবনী অক্ষয় মালবেরি মণীন্দ্র গুপ্তর জন্ম ১৯২৬ সালে অবিভক্ত বাংলার বরিশালের গৈলা গ্রামে। কৈশোর কাটিয়েছেন অসমের বরাক গল্পপাঠ মণীন্দ্র গুপ্ত'র আত্মজীবনী Labels অক্ষয় মালবেরি আত্মজীবনী মণীন্দ্র গুপ্ত এটি ইমেল করুন BlogThis Twitter এ শেয়ার করুন Facebook এ শেয়ার করুন Pinterest এ শেয়ার করুন অক্ষয় মালবেরি by Manindra Gupta অক্ষয় মালবেরি book Read reviews from the world's largest community for readers অক্ষয় মালবেরি মণীন্দ্র গুপ্ত | Buy Okhoy অক্ষয় মালবেরি বইয়ের পিছনের কভারের লেখা আত্মজীবনী লিখতে গিয়ে নিজের জীবনকে কেউ দেখে দূরবিনে কেউ দেখে অনুবীক্ষণের লেসের তলায়। মণীন্দ্র গুপ্ত দে অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry | মণীন্দ্র অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry | মণীন্দ্র গুপ্ত Manindra Gupta | download | B–OK Download books for free Find books অক্ষয় মালবেরি | সচলায়তন মণীন্দ্র গুপ্ত 'অক্ষয় মালবেরি' নামে যে ? ' শত শরদ মানুষের আয়ু। কিন্তু দুঃখী সুখী ভ্রষ্টাচারী ততদিন বাঁচে না। মরণের আগে বোকাচোখে তাকিয়ে দেখে সমস্তই অসম্পূর্ণ তার রাকাশশী অসংলগ্ন বালি হয়ে উড়ে যায়। তবু এইটুকু জীবনের মধ্যে কত কি যে ঘটেছিল কত মুগ্ধতা সন্তাপ উল্লাস দ্রবণ ভোলা যায় না। ' কবি মণীন্দ্র গুপ্তের আত্মকথা শেষ করে নিজেই নিজেকে সওয়াল করছি সবকিছু কি ভোলা যায়? জওয়াব আপনাআপনি চলে এল। 'না'। দুই দশকের কিছু বেশি অর্থহীন জীবনে আমারই তো সব ভুলে থাকবার জো নেই। হৃদয়পটে অমোচনীয় অক্ষরে শৈশব কৈশোর আর নিত্যকার জীবনের কত স্মৃতিই তো হঠাৎ ঘাঁই দিয়ে ওঠে। সাত দশক পেরিয়ে আসা মণীন্দ্র গুপ্তও ভুলতে পারেন নি নিজের বিগত হওয়া দিনগুলির কথা। অম্লানবদনে তাই লিখেছেন অমৃত গরল যুগের কথা। অবিভক্ত ভারতের খুলনার এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে নিজের বেড়ে ওঠা। চারপাশের দুঃখী সুখি মানুষগুলোকে ঘিরে নিজের জীবনকে কোনক্রমে টেনেটুনে বয়ে নিয়ে যাওয়া। মা মরা ছেলে। আসামে নানা নানির গৃহে আশ্রয় জুটলো। খাওয়াপড়ার নিশ্চিন্ত বন্দোবস্ত। আসামের স্কুল পড়ুয়া কিশোর অমনোযোগী মণীন্দ্র গুপ্তের কথকথা তো ঢেউহীন নদীর জলের মতো নিশ্চল স্থির নয়৷ আচমকা জলের বান ডাকে শান্তস্নিগ্ধ মণীন্দ্র গুপ্তের জীবনে। আবার হঠাৎই অসম্ভব ধীরতা। থার্ড ডিভিশনে পাশ করলেন মাধ্যমিক। কলেজে কে পড়াবে? পিতৃগৃহে ফিরলেন। আবিষ্কার করলেন পিতার সামর্থ্য দিনমানে তেলনুনলকড়ি আনতেই ফুরোয়। নানাবাড়ির সকলে চলে এসেছে কলকাতায়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের তোড় চারদিকে। ব্রিটিশসরকার সৃষ্ট ভয়ংজর দুর্ভিক্ষ তখনও আঘাত হানেনি বাংলায়। চাউলের মজুত চলছে লুকিয়ে ছাপিয়ে।দুর্ভিক্ষ খুশিতে দাঁতে শাণ দিচ্ছে লোকক্ষয় করতে।বোমাতঙ্কে কলকাতা উজার। যুদ্ধের

Read × PDF, DOC, TXT or eBook Ë Manindra Gupta

অক্ষয় মালবেরি by Manindra Gupta অক্ষয় মালবেরি book Read reviews from the world's largest community for readers অক্ষয় মালবেরি মণীন্দ্র গুপ্ত | Buy Okhoy অক্ষয় মালবেরি বইয়ের পিছনের কভারের লেখা আত্মজীবনী লিখতে গিয়ে নিজের জীবনকে কেউ দেখে দূরবিনে কেউ দেখে অনুবীক্ষণের লেসের তলায়। মণীন্দ্র গুপ্ত দে অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry | মণীন্দ্র অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry | মণীন্দ্র গুপ্ত Manindra Gupta | download | B–OK Download books for free Find books অক্ষয় মালবেরি | সচলায়তন মণীন্দ্র গুপ্ত 'অক্ষয় মালবেরি' নামে যে জীবনী গ্রন্থটি লিখেছিলেন তাকে সচরাচর লিখিত জীবনী গ্রন্থের নিয়মিত ছাঁচে ফেলার উপায় তিনি রাখেন নি। এই অক্ষয় মালবেরি থেকে। মা। মনীন্দ্র গুপ্ত । This video is unavailable Watch ueue ueue Watch ueue ueue অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry অবভাস মণীন্দ্র গুপ্ত Manindra Gupta Year Language bengali File PDF MB Create a new ZAlert ZAlerts allow you to be notified by email about the availability of new books according to your search uery A search uery can be a title of the book a name of the author ISBN or অক্ষয় মালবেরি থেকে । মণীন্দ্র গুপ্ত । শরৎশেষে কার্তিকের শুরুতে আমাদের ভাঁড়ার? খুব অসাধারণ কিছু নিয়ে আসলে বলা কঠিন। যাই বলতে চাই মনে হয় ঠিকমত বইয়ের প্রশংসা করা হল না। এই বইটির জন্য একই কথা প্রযোজ্য। মণীন্দ্র গুপ্ত নাম কোনদিন শুনি নি। এই বইটির খোঁজ পেলাম গুডরিডসে এবং অবশ্যই রিফাত আপুর রিভিউয়ের কল্যাণে। এত ভালো রিভিউ পড়ে ঠিক করে ফেললাম পড়ে ফেলতে হবে। আমার ননফিকশনের লিস্ট আরও একটু লম্বা করতে পড়েও ফেললাম। অত্যন্ত সুখপাঠ্য বই। ঈদের দিন করার কিছু না পেয়ে সারাদিন বসে পড়ে ফেললাম। যদিও আমার মনে হয়েছে বইটি আসলে একটানে না পড়ে আস্তে ধীরে সময় নিয়ে পড়লে খুব ভালো হত। লেখক যেমন গাছের নিচে শুয়ে বই পড়তেন এক প্যারা পড়ে চারপাশের প্রকৃতি উপভোগ করতেন আর সে এক প্যারা নিয়ে চিন্তা করতেন তেমনি করে যদি মনোরম প্রকৃতি শোভার মাঝে বসে এই বইটি নিয়ে হারিয়ে যাওয়া গেলে ভালো হত। কিছু উদাস কিছু বিষন্ন ভাবের মাঝে কাটানো যেত। লেখক শুধু যে নিজের কথাই লিখেছেন তা নয় সেই সময়ে গ্রামের সামাজিক জীবনের চিত্র তুলে ধরেছেন। তুলে ধরেছেন কলকাতার কথা বলেছেন তার সৈনিক জীবনের কথা পঞ্চাশের মন্বন্তরের কথা। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক বইটির লেখনী। গদ্যের মত। যারা আমার মত ফিকশন পড়তে ভালোবাসেন তাদের মনে হবে কোন উপন্যাসই পড়ছেন। সবার জন্য রিকমেন্ডেড।

Manindra Gupta Ë 4 Read & Download

?ীবনী গ্রন্থটি লিখেছিলেন তাকে সচরাচর লিখিত জীবনী গ্রন্থের নিয়মিত ছাঁচে ফেলার উপায় তিনি রাখেন নি। এই অক্ষয় মালবেরি থেকে। মা। মনীন্দ্র গুপ্ত । This video is unavailable Watch ueue ueue Watch ueue ueue অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry অক্ষয় মালবেরি Akshay Mulberry অবভাস মণীন্দ্র গুপ্ত Manindra Gupta Year Language bengali File PDF MB Create a new ZAlert ZAlerts allow you to be notified by email about the availability of new books according to your search uery A search uery can be a title of the book a name of the author ISBN or অক্ষয় মালবেরি থেকে । মণীন্দ্র গুপ্ত । পাঠ শরৎশেষে কার্তিকের শুরুতে আমাদের ভাঁড়ারের দেশে পেকে আসা ধানের উপর যখন অক্ষয় মালবেরি Archives সাম্প্রতিক Welcome Log into your account your username your password মণীন্দ্র গুপ্তর আত্মজীবনী অক্ষয় মণীন্দ্র গুপ্তর আত্মজীবনী অক্ষয় মালবেরি মণীন্দ্র গুপ্তর জন্ম ১৯২৬ সালে অবিভক্ত বাংলার বরিশালের গৈলা গ্রামে। কৈশোর কাটিয়েছেন অসমের বরাক গল্পপাঠ মণীন্দ্র গুপ্ত'র আত্মজীবনী Labels অক্ষয় মালবেরি আত্মজীবনী মণীন্দ্র গুপ্ত এটি ইমেল করুন BlogThis Twitter এ শেয়ার করুন Facebook এ শেয়ার করুন Pinterest এ শেয়ার করু? শরীর কি বস্তু সেই যৌবনে টের পেয়েছিলাম আর এখন বার্ধক্যে টের পাই নদীকে মাঝিরা যেমন টের পায় জোয়ার আর ভাটায়। পরে শ্মশানে বসে হয়তো দেখব শরীর ফিরছে তার অঙ্গারে জলে ধাতুতে লবণে। আর তার সূক্ষ্ম বিদেহ আভা চলে যাচ্ছে আকাশে অালো মেঘ আর শান্তির দেশে। শরীর তো যা পেয়েছিলাম তাই ছিল কিন্তু অস্তিত্বের ঐ বিদেহ আভা আমিই দিনে দিনে তৈরি করেছিলাম বই পড়ে ছবি দেখে গান শুনে।কি মায়ামাখা একটা বই ননফিকশন কিন্তু মনেহয় যেন ফিকশনই পড়তেসি।সংগ্রহে রাখার মতো অসাধারণ একটা বই।

  • null
  • অক্ষয় মালবেরি
  • Manindra Gupta
  • Bengali
  • 11 October 2019
  • null

About the Author: Manindra Gupta

মণীন্দ্র গুপ্তর জন্ম ১৯২৬ সালে অবিভক্ত বাংলার বরিশালের গৈলা গ্রামে। কৈশোর কাটিয়েছেন অসমের বরাক উপত্যকায় মামার বাড়িতে। একই সঙ্গে কবি প্রাবন্ধিক কথাসাহিত্যিক ও চিত্রশিল্পী মণীন্দ্রবাবু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।কবিতা লিখেছেন ১৯৪০ এর দশক থেকে। প্রথম কবিতার বই ‘নীল পাথরের আকাশ’ প্রকাশিত হয় অনেক পরে ১৯৬৯ সালে। লিখতে এসেই পাঠকের নজর কাড়েন তিনি। বাংলা কবিতার তৎকালীন অভি.



10 thoughts on “অক্ষয় মালবেরি

  1. says:

    অর্ধেক জীবনএ সুনীল লিখেছিলেন যৌবন পেরিয়ে গেলে বাদামি সন্ধ্যেবেলাগুলিতে মানুষের মনে হতে থাকে এই জীবন অন্য রকম হবার কথা ছিল। উঠে আসে হতাশা এবং হাহুতাশের ঢেউ ফেলে আসা গান চাপা অভিমান। কুড়ি কুড়ি বছরের পার কেটে যাওয়ার পরের যে জীবন তার চবিতচর্বণ কেবল বেদনাই বাড়ায় নয়?মধ্যবয়সে পৌঁছানোর ঢের আগেই অকালপক্ক বিষন্নতার কারণে এ জাতীয় বিষাদে ভুগেছি প্রথম যৌবনে কৈশোরে এমনকি খানিকটা শৈশবেও। সেইজন্যেই কী এতোটা পছন্দ হয়েছে অক্ষয় মালবেরি মণীন্দ্র গুপ্তের খণ্ডিত আত্মজীবনী?খণ্ডিত এই অর্থে যে শেষ হয়েছে কুল্লে ২২ বছর বয়সে এসেই ফৌজি প্রশিক্ষণ ছেড়ে সদ্য বেকারত্ব বেছে নিয়ে যে জীবনের প্রারম্ভ। কিন্তু গত বাইশ বছরকার উপাখ্যান? অপার্থিব সুন্দর গদ্য যদি এক বাক্যে বলতে চাই কেমন লেগেছে পড়তে গিয়ে। নেশাধরানো ঝিম ধরা বর্ণনা ছবির মতো ভাসিয়ে তুলেছে লেখকের শৈশব মাতৃস্নেহ বঞ্চিত যদিও। দশ মাস বয়সে মা'কে হারিয়ে মণীন্দ্র বড় হয়েছেন পিতৃ এবং মাতৃকূলের আত্মীয়দের কাছে কখনো ঠাকুরদা ঠাকুমা এবং দিদিমা দাদামশাই। ভিন্ন সময়ে প্রকাশিত তিন পর্বে ভাগ করে লেখা এ জীবন আলেখ্য ঠিক প্রচলিত ধারায় আত্মচরিত নয়। বরিশালের গণ্ডগ্রামে বিশাল পারিবারিক অন্দরমহল জুড়ে যে আত্মীয়তার জাল তার চরিত্রগুলোকে চেনা যেমন চিত্তাকর্ষক তেমনি মুগ্ধকর তার চারপাশের বিবরণ। সজল জলে ভাসা শাপলা তেঁতুল আর নারিকেল গাছের ফাঁকেফাঁকে চনচনে রোদ্দুর আঙুল চেটে খাওয়া নবান্ন বসন্তকালের রক্তিম পলাশ থোপাথোপা বেতফল আর জোনাকিমাখা ছায়াছায়া শান্ত বনপথে ভেজা মাটির সোঁদাসোঁদা গন্ধে টইটম্বুর ধূসর মন্থর নিস্তরঙ্গ গ্রামের দিন। সেসব দিন ছাপিয়ে এক সময় গিয়ে দাঁড়ানো আসামে মাতামহীর পরিবারে লালিত দলছুট স্নেহকাতর বালক জীবন নিতান্ত দায়সারাভাবে এসএসসির বেড়া ডিঙিয়ে।এরপরের গন্তব্য লাকসাম কুলাউড়া আখাউড়া আধঘুমন্ত সব স্টেশন পেরিয়ে চাঁদপুর পিতার দ্বিতীয় পক্ষের সংসারে। গন্তব্যহীন দিনযাপন ফের ভেসে পড়া সেখান থেকে সেনাবাহিনীতে ঢোকা তাও ঝোঁকে ক্ষণিকের সিদ্ধান্তবশে ফৌজত্যাগ তাও। যেন জীবনটা কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা যেনতেন ভাবে স্রোতে গা ভাসিয়ে কিন্তু পালক না ভিজিয়ে। এই ভেসে যাওয়ার সময়ে এসেছে দাঙ্গা পঞ্চাশের মনন্তর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়কার উৎকট দিনের টুকরো টুকরো ছায়া। যদিও খুব সবিস্তারে নয়।সব ছায়াকে অস্বীকার করে জলো ম্যালেরিয়ায় পাঙাশ রূপ নেয়া বাদা অঞ্চলের অজগাঁয়ে বসে আত্মবিশ্বাসহীন আত্মজনহীন সদ্য কৈশোর ডিঙানো সাড়ে পাঁচ ফুটের এক তরুণ নিজেকে ডুবিয়ে রাখে বইতে শিব্রাম কোনান ডয়েল হেমেন্দ্রকুমার জুল ভার্ন থেকে শুরু করে মৌচাক রবীন্দ্রনাথের ডাকঘর বসুমতী বিচিত্রা ভারতবর্ষ বিশ্বভারতী প্রবাসী বনফুলসমগ্র থেকে বিভূতির অনুবর্তন। গোগ্রাসে গেলে পঠনযোগ্য সমস্ত অপাঠ্য বই যে বইকে সে ভেবে নিয়েছে পালাবার ইগলু পালাবার ইগ্লুর এক একটা রামধনু ঠিকরানো বরফ ইট।এমনকি সৈন্যদলের প্রশিক্ষণ লাহোর বাসের জীবনেও সদরবাজারের রাস্তায় মাটিতে পসরা সাজিয়ে বসা এক শিখ ফেরিওয়ালার থলি হাতড়ে সে খুঁজে নেয় যুগান্তর; ফেলে আসা কলকাতা আর শরতের ঘ্রাণ মাখা যে সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল প্রেমেন মিত্তিরের সেই বিখ্যাত গল্প 'তেলেনাপোতা'। বই তাকে আরো শেখায় দেখতে। শুধু ছাপার কাগজে ছাপা ছবি নয় নন্দলাল বা অবন ঠাকুরের তুলির সেই অমোঘ টানের পেছনের গল্প। অবনীন্দ্রনাথের ছবির রূপের পৃথিবীতে জাগতিক কোন বাসনা তো নেই অথচ যা আছে তা বাসনার চেয়ে মনকে অনেক বেশি ব্যথিত করে। মণীন্দ্র লিখেছেন এভাবে শরীর কি বস্তু সেই যৌবনে টের পেয়েছিলাম আর এখন বার্ধক্যে টের পাই নদীকে মাঝিরা যেমন টের পায় জোয়ার আর ভাটায়। পরে শ্মশানে বসে হয়তো দেখব শরীর ফিরছে তার অঙ্গারে জলে ধাতুতে লবণে। আর তার সূক্ষ্ম বিদেহ আভা চলে যাচ্ছে আকাশে অালো মেঘ আর শান্তির দেশে। শরীর তো যা পেয়েছিলাম তাই ছিল কিন্তু অস্তিত্বের ঐ বিদেহ আভা আমিই দিনে দিনে তৈরি করেছিলাম বই পড়ে ছবি দেখে গান শুনে।মানুষী স্মৃতির এই ক্ষণমধুর অতীতচারণ বড্ড হতাশ করে হঠাৎ করে ফুরিয়ে গিয়ে অপরিণামদর্শী যে বালকবেলার গল্প পাঠের আরামসুখ আর অনিবর্চণীয় গভীর বিষাদে দু'ভাগ হয়ে চিরে মনে করিয়ে দেয় ফেলে আসা এক দূরতম নক্ষত্রের জীবন। ১০৫ সানন্দে।

  2. says:

    খুব অসাধারণ কিছু নিয়ে আসলে বলা কঠিন। যাই বলতে চাই মনে হয় ঠিকমত বইয়ের প্রশংসা করা হল না। এই বইটির জন্য একই কথা প্রযোজ্য। মণীন্দ্র গুপ্ত নাম কোনদিন শুনি নি। এই বইটির খোঁজ পেলাম গুডরিডসে এবং অবশ্যই রিফাত আপুর রিভিউয়ের কল্যাণে। এত ভালো রিভিউ পড়ে ঠিক করে ফেললাম পড়ে ফেলতে হবে। আমার ননফিকশনের লিস্ট আরও একটু লম্বা করতে পড়েও ফেললাম। অত্যন্ত সুখপাঠ্য বই। ঈদের দিন করার কিছু না পেয়ে সারাদিন বসে পড়ে ফেললাম। যদিও আমার মনে হয়েছে বইটি আসলে একটানে না পড়ে আস্তে ধীরে সময় নিয়ে পড়লে খুব ভালো হত। লেখক যেমন গাছের নিচে শুয়ে বই পড়তেন এক প্যারা পড়ে চারপাশের প্রকৃতি উপভোগ করতেন আর সে এক প্যারা নিয়ে চিন্তা করতেন তেমনি করে যদি মনোরম প্রকৃতি শোভার মাঝে বসে এই বইটি নিয়ে হারিয়ে যাওয়া গেলে ভালো হত। কিছু উদাস কিছু বিষন্ন ভাবের মাঝে কাটানো যেত। লেখক শুধু যে নিজের কথাই লিখেছেন তা নয় সেই সময়ে গ্রামের সামাজিক জীবনের চিত্র তুলে ধরেছেন। তুলে ধরেছেন কলকাতার কথা বলেছেন তার সৈনিক জীবনের কথা পঞ্চাশের মন্বন্তরের কথা। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক বইটির লেখনী। গদ্যের মত। যারা আমার মত ফিকশন পড়তে ভালোবাসেন তাদের মনে হবে কোন উপন্যাসই পড়ছেন। সবার জন্য রিকমেন্ডেড।

  3. says:

    যে কবির নাম কিছুদিন আগেও না জানা না শোনা ছিল উথাল পাথাল মন কেমন করা দিনে যার লেখা দু'লাইন কবিতা কখনো গুঞ্জরিত হয়নি যে লেখকের কাজ কখনো চিরায়ত কথাসাহিত্যের ছায়ায় স্থান পায়নি বাংলার বিখ্যাত রায় পরিবার কিংবা ঠাকুর পরিবারেও যার জন্ম আর বেড়ে উঠা নয় যে শত শরদ মানুষের হৃদয় স্পর্শ করা আদর্শ কোনো ব্যক্তি নয় এমন একজন ভীষণ সাদামাটা মানুষের আটপৌরে নিস্তরঙ্গ জীবনগাঁথা অত তারিয়ে তারিয়ে পড়ব কোনোদিন ভাবিনি ভাবতে পারিনি।থোকা থোকা কালচে রঙের ঠসঠসে মালবেরি ফল কীভাবে অক্ষয় হয় তা ভাবতে ভাবতে প্রতিদিন একটা দুটো শব্দ নাড়িয়ে চারিয়ে দেখতে দেখতে গোটা মাস দুই লাগিয়ে পড়ে ফেললাম অক্ষয় মালবেরি মণীন্দ্র গুপ্ত এর অখণ্ড আত্মজীবনী। কিংবা বলা যায় মনের মধ্যে গেঁথে নিলাম একটু একটু করে। কী অদ্ভুত সুন্দর গদ্য খানিকটা ঘোর লাগা ধাঁধার মতো সাধারণত কিছু দৃশ্য আর সময়ের অসাধারণ বর্ণনা। পড়তে পড়তে ঝিমঝিমে নেশা ধরে যায়। গলার মধ্যে কেমন একটা চাপা অনুভূতি আটকে থাকে। মনটা অকারণ বিষন্নতায় হুহু করে উঠে। আমি তখন থেকেই নিজেকে চিনি। আমার মতো মানুষকে দিয়ে কোনো কীর্তি সম্ভবপর নয়। যতটুকু না হলে নয় ততটুকু যতটুকু না হলে নয় ততটুকু এইভাবে খুদে খুদে হাতে একটু একটু নিয়ে একটু একটু দিয়ে পৃথিবীকে বিরক্ত না করে এতদিন কাটল। ছবি আঁকার সময় মিনিয়েচারের থেকে একটু বড় আঁকি। লিখবার সময় ছোট ছোট বই লিখি একটি একটি শব্দ ভেবে সময় কাটাই। বেশ লাগে। পৃথিবীর আলোবাতাসের সঙ্গে শব্দগুলি কেমন দোয়েলের মতো চড়ুয়ের মতো কাঁচপোকার মতো মেশে দেখি। বেশ লাগে।আমি কি পাহাড়ের বাঁকে অজন্তা এলোরা বানাতে পারতাম? অসম্ভব। আমি উদয়গিরির চেয়েও অনেক ছোট একটি গুহা বানিয়ে ছেড়ে দিতাম। সেখানে বসে মেঘে বর্ষায় বৃষ্টির রেখা শীতে অস্তমান সূর্যের রেখা দেখতাম। অদ্ভুত সুন্দর সুর‍্যরিয়াল বাস্তবতার কথা পড়তে পড়তে নিজেকে আরও ক্ষুদ্র আর তুচ্ছ মনে হয়। আমিও বেশ বুঝতে পারি আমার হবে না আমি সত্যি মূর্খ আকাঠ পরমুহুর্তেই রূপকথা রাজ্য সম্মুখে ভেসে উঠে প্রত্যেক ফুলের পাপড়ির কেন্দ্রে একটা সূক্ষ্ম ফুটো আছে সেই ফুটো গিয়ে শেষ হয়েছে বোঁটার প্রান্তে। ঐ পথটুকু জাদুপথ। কেউ যদি সূক্ষ্ম হয়ে ছূঁচের মতো ঐ পথের এক মুখ দিয়ে ঢুকে অন্য মুখ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে তবে সে পৌঁছবে এক অন্য রাজ্যে। এক এক ফুলের পথের শেষে এক এক রাজ্য। শিউলিফুলের ফুটো দিয়ে বেরুলে পাওয়া যাবে সাদা মেঘের দেশ। লাল সন্ধ্যামণির ফুটোর ওপারে আছে খুব সুন্দরী আবছায়ায় চলাফেরা করা মেয়েদের দেশ। জ্যোৎস্না ফোটা হাসনুহানা ফুলের সূক্ষ্ম পথটুকু পেরুলেই ঝাড়লন্ঠব নিবে আসা এক চাঁদিনী জলসার দেশ। আর গ্রীষ্মের তাপে শুকিয়ে মুচমুচে হয়ে যাওয়া স্বর্ণচাঁপার ফুটো দিয়ে বেরুলেই মুনশিবাড়ি। কমলা বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা নামলেই আমার আয়তাকার বেলকনি হাসনাহেনার মাতাল ঘ্রাণে ভরে থাকে। অথচ এভাবে তো কোনোদিন ভাবিনি এমনি চিত্তাকর্ষক বর্ণনায় মণীন্দ্র গুপ্তের মাতৃহীন শিশুকাল শিশুবেলার গন্ধমাখা সবুজ গ্রাম স্নেহকাতর বালকের পাঠ্যবইয়ের ভাঁজে লুকানো অপাঠ্যবইয়ের প্রতি ভালোবাসা দায়সারাভাবে শেষ করে ফেলা স্কুলজীবন ঝোঁকের মাথায় সেনাজীবন অর্জন বর্জন অতঃপর বেকারত্ব বরণ সবকিছু ছবির মতো উঠে এসেছে। অক্ষর ছুঁয়ে দিলেই ফেলে আসা অতীতকে অনুভব করতে পারছি। পরক্ষণেই গভীর বিষাদে ডুবে যাচ্ছি তলিয়ে যাচ্ছিএমন মন কেমন করা অপার্থিব সুন্দর লেখনী কতকাল পড়িনা

  4. says:

    ' শত শরদ মানুষের আয়ু। কিন্তু দুঃখী সুখী ভ্রষ্টাচারী ততদিন বাঁচে না। মরণের আগে বোকাচোখে তাকিয়ে দেখে সমস্তই অসম্পূর্ণ তার রাকাশশী অসংলগ্ন বালি হয়ে উড়ে যায়। তবু এইটুকু জীবনের মধ্যে কত কি যে ঘটেছিল কত মুগ্ধতা সন্তাপ উল্লাস দ্রবণ ভোলা যায় না। ' কবি মণীন্দ্র গুপ্তের আত্মকথা শেষ করে নিজেই নিজেকে সওয়াল করছি সবকিছু কি ভোলা যায়? জওয়াব আপনাআপনি চলে এল। 'না'। দুই দশকের কিছু বেশি অর্থহীন জীবনে আমারই তো সব ভুলে থাকবার জো নেই। হৃদয়পটে অমোচনীয় অক্ষরে শৈশব কৈশোর আর নিত্যকার জীবনের কত স্মৃতিই তো হঠাৎ ঘাঁই দিয়ে ওঠে। সাত দশক পেরিয়ে আসা মণীন্দ্র গুপ্তও ভুলতে পারেন নি নিজের বিগত হওয়া দিনগুলির কথা। অম্লানবদনে তাই লিখেছেন অমৃত গরল যুগের কথা। অবিভক্ত ভারতের খুলনার এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে নিজের বেড়ে ওঠা। চারপাশের দুঃখী সুখি মানুষগুলোকে ঘিরে নিজের জীবনকে কোনক্রমে টেনেটুনে বয়ে নিয়ে যাওয়া। মা মরা ছেলে। আসামে নানা নানির গৃহে আশ্রয় জুটলো। খাওয়াপড়ার নিশ্চিন্ত বন্দোবস্ত। আসামের স্কুল পড়ুয়া কিশোর অমনোযোগী মণীন্দ্র গুপ্তের কথকথা তো ঢেউহীন নদীর জলের মতো নিশ্চল স্থির নয়৷ আচমকা জলের বান ডাকে শান্তস্নিগ্ধ মণীন্দ্র গুপ্তের জীবনে। আবার হঠাৎই অসম্ভব ধীরতা। থার্ড ডিভিশনে পাশ করলেন মাধ্যমিক। কলেজে কে পড়াবে? পিতৃগৃহে ফিরলেন। আবিষ্কার করলেন পিতার সামর্থ্য দিনমানে তেলনুনলকড়ি আনতেই ফুরোয়। নানাবাড়ির সকলে চলে এসেছে কলকাতায়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের তোড় চারদিকে। ব্রিটিশসরকার সৃষ্ট ভয়ংজর দুর্ভিক্ষ তখনও আঘাত হানেনি বাংলায়। চাউলের মজুত চলছে লুকিয়ে ছাপিয়ে।দুর্ভিক্ষ খুশিতে দাঁতে শাণ দিচ্ছে লোকক্ষয় করতে।বোমাতঙ্কে কলকাতা উজার। যুদ্ধের বাজারে চাকরির রমরমা। মাধ্যমিক পাশ মণীন্দ্র ঢুকলেন কেরানি অফিসে। সে চাকরি বেশিদিন রইল না। কপাল বুঝি এত সুখ সইতে পারছিল না। দেবী শীতলা মুখদর্শন করলেন মণীন্দ্রের। সপ্তাহতিনেক ভোগান্তি চলল। দেবীপক্ষ বিদায়ের সাথে সাথে চাকরিখানাও সঙ্গে নিয়ে গেলেন। ঝাড়া হাত পা মণীন্দ্র গুপ্ত। সিদ্ধান্ত নিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভোকেশনাল ট্রেনিং নেবেন। ভর্তিও হলেন। কিন্তু মন বেচারা টিকতে চাইবে কেন? তাই এলেন পালিয়ে। বাঙালি সন্তানদের দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ এক সুযোগ এনে দিয়েছিল৷ ইংরেজ সরকার নিজেদের প্রয়োজনেই দলেদলে লোক ভর্তি করছিল সেনাদলে। নানা প্রলোভনে অনেকে যোগও দিচ্ছিলেন। এই রিক্রুট তথা রংরুটেদের কথা বরেন বসুর কালজয়ী উপন্যাস 'রংরুটে' অত্যন্ত উজ্জ্বলতর ভঙিতে আছে। আমাদের মণীন্দ্র গুপ্তও রংরুট হিসেবে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যুক্ত হলেন। এই বইয়ের সবচেয়ে সুখপাঠ্য অংশ হলো মণীন্দ্র গুপ্তের সেনাবাহিনীতে অবস্থানের বর্ণনা। কিছুদিন কলকাতায় পর লাহোরে সেনাজীবনের প্রস্তুতিপর্ব খুবই ভালো লেগেছে। কবি মণীন্দ্র গুপ্ত তাঁর মুগ্ধতা সৃষ্টিকারী গদ্যের জাদুতে একেবারে মাত করে দিয়েছেন৷ আমরা যারা ব্রাত্যজন। সেনাবাহিনীর কাঠখোট্টা জীবন সম্পর্কে ভাসাভাসা জ্ঞানে ভাসি। তাদের কথা ভেবেই হয়তো মণীন্দ্র গুপ্ত এতটা সাবলীলভাবে লিখে গেছেন নিজের কয়েকটি বছরের সেনাজীবনের ভালো মন্দের মিশেলে অভিজ্ঞতার কথা। কবি মণীন্দ্র গুপ্তের শৈশব কৈশোর এবং যৌবনের কিয়দাংশই 'অক্ষর মালবেরি'। এত সহজবোধ্য লেখনী নিঃসন্দেহে পাঠককে হিপনোটাইজ করে রাখবে। পাঠক হয়তো বুঝতেই পারবেন না কখন শেষ হলো 'অক্ষয় মালবেরি '৷

  5. says:

    মধুময় ভাষায় লেখা অসাধারণ একটা বই।

  6. says:

    যে সীমিত সংখ্যক বই পড়ে মনে হয়েছে যে হ্যাঁ আমি অমৃতের স্বাদ পেলাম এ তেমন একটি বই। অজস্র হাইপ অজস্র মানুষের ভালো ভালো কথা এ সব শুনলে আমাদের স্বভাবত সিনিক মন বেঁকে বসতে চায়। আমিও বইটা কিনেছিলাম বহু আগে কিন্তু কেন যেন পড়িনি। তারপর একদিন দেখলাম বইটা শেলফে আর পাচ্ছি না। ভাবলাম তবে কি বইয়েরও অভিমান হয়? স্রেফ ওই ভাবনাটাই আমাকে প্রাণিত করল বইটা আবার কিনতে এবং এবার এক দফায় পড়ে ফেলতে।বিশ্বাস করুন যত ভালো কথাই শুনে থাকুন না কেন এই বইয়ের সম্বন্ধে সেগুলো কম পড়ে যেতে পারে আপনার নিজের মনোভাব ব্যক্ত করতে গিয়ে।কী নিয়ে এই বই?আমরা প্রায়ই অতীতচারণ প্রসঙ্গে একটি কথা ব্যবহার করি স্মৃতিচিত্রণ। এই বই হল যথার্থ স্মৃতিচিত্রণ। সবাই এমনকি সব কবি এভাবে নিজের কথা নিজের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা বলতে পারেন না। লেখক পারলেন। সেই স্মৃতিচিত্রণ যে কত মধুর আর কতটা সতেজ তা বোঝানোর মতো দক্ষতা আমার নেই।বাঙালি নাকি নস্ট্যালজিয়া ভালোবাসে। কিন্তু এই বই নস্ট্যালজিয়ার চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এতে শুধু ফেলে আসা সময় বা মানুষেরা নেই আছে তার বাইরেও অনেক অনেক কিছু যাদের কথা বইটি না পড়লে আপনি কিছুতেই বুঝবেন না।বইটা পড়ুন প্লিজ।

  7. says:

    শরীর কি বস্তু সেই যৌবনে টের পেয়েছিলাম আর এখন বার্ধক্যে টের পাই নদীকে মাঝিরা যেমন টের পায় জোয়ার আর ভাটায়। পরে শ্মশানে বসে হয়তো দেখব শরীর ফিরছে তার অঙ্গারে জলে ধাতুতে লবণে। আর তার সূক্ষ্ম বিদেহ আভা চলে যাচ্ছে আকাশে অালো মেঘ আর শান্তির দেশে। শরীর তো যা পেয়েছিলাম তাই ছিল কিন্তু অস্তিত্বের ঐ বিদেহ আভা আমিই দিনে দিনে তৈরি করেছিলাম বই পড়ে ছবি দেখে গান শুনে।কি মায়ামাখা একটা বই ননফিকশন কিন্তু মনেহয় যেন ফিকশনই পড়তেসি।সংগ্রহে রাখার মতো অসাধারণ একটা বই।

  8. says:

    এই বইয়ের রিভিউ লেখার কে আমি? এত বড় দুঃসাহস দেখানোর মত সাহস এখনো হয়নি আমার

  9. says:

    কিছু কিছু বই চট করে পড়ে ফেলা যায়। কিছু বই পড়তে হয় তারিয়ে তারিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটু একটু করে চেখে। অক্ষয় মালবেরি নিয়ে পাঠপ্রতিক্রিয়া লেখার সাধ্য আমার নেই। আমি বরং আগ্রহী পাঠকদের জন্য কিছু লাইন তুলে দেই মানুষী স্মৃতিই মানুষ। স্মৃতিই জটিলতা। মরণের পরে আমাদের নির্বাণ হয় না সে কেবল স্মৃতি আছে বলেই না পুনর্জন্ম সবচেয়ে বড় ম্যাজিক ধুয়ে মুছে সব পরিষ্কার করে দেয়। সেই বয়সে আমি এতো স্পষ্ট করে বুঝি না শুধু বোধের গোধুলিতে দ্বিতীয়ার চাঁদের ধূসর সোনার আবছামতো রেখায় কত লেখা পড়ে। মন সুখ আর বিষাদে দুভাগ হয়ে চির হয়ে যায়। অনুভূতির চাপে আমি জলের মধ্যে মাছের মতো স্থির হয়ে ডুবতে থাকি আবার কখনো আকুবাঁকু করে উঠি মহামৎসের মতো ঘাঁই মারতে চাি অনন্তে। মৃত্যুর পরে শ্মশানে বসে হয়তো দেখব শরীর ফিরছে তার অঙ্গারে জলে ধাতুতে লবণে। আর তার সুক্ষ্ম বিদেহ আভা চলে যাচ্ছে আকাশে আলো মেঘ আর শান্তির দেশে সময় আমাদের নশ্বরদের জন্য তৈরি অদ্ভুত এক মায়া দেখতে না দেখতে স্বাদ নিতে না নিতে ফুরিয়ে যায়।

  10. says:

    এত সুন্দর করে লেখা বই অনেক দিন পড়িনি। লেখকের মনের সৌন্দর্য বইয়ে ফুটে উঠেছে। লেখকের চোখেই উপলব্ধি করে মুগ্ধ হয়েছি এই বনবাদাড়ে ঘুরে বুনো ফল খাওয়া আর বুনো ফুলের গন্ধ নেয়া সবুজের মাঝে সবুজ মন নিয়ে বেড়ে ওঠা। এত সুন্দর করে গ্রামবাংলার সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন প্রতি শব্দে প্রতি বাক্য। অসাধারণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *